ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১১ই আগস্ট, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ , ২৭শে শ্রাবণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

ষড়যন্ত্র না হলে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন কেন বন্ধ হলো, প্রশ্ন হাইকোর্টের

প্রকাশ: ২৭ জুন, ২০২২ ৭:২২ : পূর্বাহ্ণ

ষড়যন্ত্র না থাকলে পদ্মা সেতুতে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়ন বন্ধ কেন হলো বলে প্রশ্ন রেখেছেন হাইকোর্ট। আদালত বলেছেন, যড়যন্ত্রকারীরা দেশবিরোধী, এদের খুঁজে বের করতে হবে।

আজ সোমবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ মন্তব্য করেন। একই সঙ্গে ষড়যন্ত্রের বিষয়ে রিটের আরও শুনানি ও আদেশের জন্য আগামীকাল মঙ্গলবার দিন ধার্য করেন বেঞ্চ।

হাইকোর্ট বলেন, পদ্মা সেতু আমাদের জাতীয় সম্পদ। এটা আমাদের অহংকার। এ ধরনের জাতীয় স্বার্থ উন্নয়নের বিরুদ্ধে যারা থাকেন, তারা জাতির শত্রু, দেশের শত্রু, তাদের চিহ্নিত করা দরকার।

 

গত শনিবার উদ্বোধনের পর গতকাল রোববার ভোর ৬টায় যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হয়েছে বহুল প্রতীক্ষিত ও প্রত্যাশিত স্বপ্নের পদ্মা সেতু। কিন্তু এই সেতু নির্মাণকে ঘিরে বিভিন্ন সময়ে দুর্নীতির নানান গুজব ছড়ানো হয়েছে। কে বা কারা সেসব গুজব ছড়িয়েছিল–এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে তদন্ত কমিশন গঠনের নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।

পদ্ম সেতু নির্মাণের পেছনে ষড়যন্ত্রকারীদের বিষয়ে একটি জাতীয় দৈনিকে ২০১৭ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ‘ইউনূসের বিচার দাবি: আওয়ামী লীগ ও সমমনা দলগুলো একাট্টা’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। একই সঙ্গে এ-জাতীয় অন্যান্য দৈনিকের প্রতিবেদনেও শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ অনেকের নাম উঠে আসে।

পরদিন ১৫ ফেব্রুয়ারি সেসব প্রতিবেদন বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে উপস্থাপন করা হয়। প্রতিবেদনগুলো আমলে নিয়ে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে রুলসহ আদেশ দেন হাইকোর্ট।

পদ্মা সেতু নির্মাণ চুক্তি এবং দুর্নীতির মিথ্যা গল্প সৃষ্টির নেপথ্যে থাকা প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করতে তদন্ত কমিশন গঠন করতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না এবং দোষীদের কেন বিচারের মুখোমুখি করা হবে না, তা জানতে চেয়েছেন আদালত।

মন্ত্রিপরিষদ, স্বরাষ্ট্র, আইন ও যোগাযোগ সচিব এবং দুদকের চেয়ারম্যানকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

Print Friendly and PDF
ব্রেকিং নিউজঃ